Soul Connection · Music · Practice
সবাই বলছেন দুর্দান্ত, তাঁর কানে তবু “ধা” ঠিক লাগেনি: শিল্পী কখন সম্পূর্ণ হন?
Haimanti Sukla-র একটি কথার ভিতর দিয়ে বোঝার চেষ্টা, নিজের ভুল শুনতে পাওয়া কীভাবে craft-কে বাঁচায়, আর কখন সেই একই খোঁজ perfectionism-এর ফাঁদ হয়ে ওঠে।

সবাই ভালো বলার পরে যে খুঁতটি শুধু শিল্পী শুনতে পান
একজন শিল্পী বলছেন, এখনও তাঁর “ধা” ঠিক জায়গায় লাগেনি। কথাটি বলছেন Haimanti Sukla। তার আগে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে আমরা শুনেছি Hemanta Mukhopadhyay-এর স্নেহ, Ravi Shankar-এর সুর, Ali Akbar Khan-এর সঙ্গে কাজ, Manna Dey-এর দেওয়া গান, অসংখ্য রেকর্ড, পুরস্কার, বিদেশের অনুষ্ঠান, মানুষের ভালোবাসা। বাইরে থেকে হিসেব করলে আর কিছু প্রমাণ করার নেই। অথচ তাঁর নিজের কান এখনও একটি সুরের সামনে থেমে আছে। এইখানেই episode-টি আমার কাছে জীবনী থেকে অন্য কিছু হয়ে ওঠে।
প্রথমে মনে হতে পারে, এ তো বড় শিল্পীদের চেনা modesty। তাঁরা নিজেদের ছোট করেন, আমরা আরও মুগ্ধ হই। কিন্তু কথোপকথনটি পুরো শুনলে বাক্যটির ভিতরে অভিনয় কম, অস্বস্তি বেশি। Haimanti Sukla বলেন, এত মানুষ ভালো বললেও কোথাও একটি খোঁচা থেকে যায়। কোনও গান শুনে আজও তাঁর মনে হয়নি, আহা, বেশ তো গেয়েছি। এই অসন্তোষকে romantic করে ফেলাও বিপজ্জনক, কারণ সারাজীবন নিজের কাজেই শান্তি না পাওয়া খুব কষ্টের কথা। তবু এই কষ্টের মধ্যেই একটি usable প্রশ্ন আছে: নিজের ভুল শুনতে পাওয়ার ক্ষমতাটি শিল্পীকে বাঁচায়, না ধীরে ধীরে খেয়ে ফেলে?
আমরা সাধারণত শিল্পীর journey-কে outcome দিয়ে সাজাই। প্রথম record, প্রথম hit, বড় composer, national recognition, award। Haimanti Sukla-র জীবনেও এই সব milestone আছে। কিন্তু তিনি গল্পগুলি বলছেন trophy সাজানোর ভঙ্গিতে নয়। তিন বছরের শিশুর ভুল উচ্চারণে বাবার ধৈর্য, মোমবাতি নিভে যাওয়া পর্যন্ত গান, ষোলো বছর বয়সে ভিড়ের সংসার ছেড়ে গানকে জায়গা করে নেওয়া, scholarship-এর জন্য একা দিল্লি যাওয়া, সব ধরনের গান গাওয়ার জেদ, এগুলি মিলে তাঁর practice-এর ভিত তৈরি করেছে। Fame পরে এসেছে। শোনার অভ্যাসটি আগে।
আমার কাছে সবচেয়ে দরকারি distinction এখানেই। রিয়াজ শুধু কত ঘণ্টা তানপুরা নিয়ে বসেছি তার হিসেব নয়। তিনি বলেন, সুর মাথার মধ্যে ঘুরছে, কোনও জায়গা miss হচ্ছে, দু-তিনবার গুনগুন করে নিলেন, এটাও রিয়াজ। অর্থাৎ practice একটি আলাদা room-এ শুরু হয়ে শেষ হয় না। কান নিজের কাজ চালিয়ে যায়। তবে এই কথাকে shortcut ভাবলে ভুল হবে। মাথার ভিতরের সেই নিরন্তর শুনতে পাওয়া তৈরি হয়েছিল দীর্ঘ training, বহু রকম repertoire এবং গুরুর correction থেকে। Casual humming আর trained attention একই জিনিস নয়।
অপূর্ণতা থেকে পরের রিয়াজ পর্যন্ত তিনটি ধাপ
“আমি খারাপ” নয়; কোন সুর, শব্দ, নিঃশ্বাস বা আবেগটি কাজ করছে না, তার নাম দিন।
একটি বিচ্ছিন্ন line নয়; গানটির শুরু, যাত্রা ও শেষের ভিতরে ভুলটিকে রাখুন।
প্রশংসা বা হতাশা নয়; পরের session-এর জন্য একটি ছোট, পুনরাবৃত্তিযোগ্য কাজ ঠিক করুন।
বাবা প্রশংসা করতেন না, কিন্তু record বুকপকেটে রাখতেন
Haimanti Sukla-র বাবা Pandit Harihar Sukla তাঁকে খুব ছোট বয়সে গান শেখাতে শুরু করেছিলেন। discipline-এর স্মৃতিতে একটি মোমবাতি আছে। যতক্ষণ আলো জ্বলবে, গান চলবে। আবার স্নেহের স্মৃতিতে আছে, কান মলে দেওয়ার পরে শিশুর অভিমান ভাঙাতে রসগোল্লা নিয়ে ফেরা। এই দুটো scene একসঙ্গে রাখা দরকার। শুধু কঠোরতা রাখলে গুরু বা বাবাকে নিষ্ঠুর বানানো হয়; শুধু আদর রাখলে training-এর দাবি হারিয়ে যায়। তাঁর গানের ভিত গড়ে উঠেছিল এমন এক সম্পর্কে যেখানে নিয়ম এবং ভালোবাসা পরস্পরকে বাতিল করেনি।
পরে তাঁর record বেরিয়েছে, মানুষের মুখে নাম হয়েছে, Ravi Shankar-এর সুরে গান করেছেন। বাবা সেই record বুকপকেটে রাখতেন, কিন্তু মেয়েকে বলতেন মন ভরেনি, ঠিক হয়নি। পরিণত বয়সে Haimanti জানান, এখন পুরোনো গান শুনে তিনিও খুঁত শুনতে পান। তখন সেই সমালোচনা কষ্ট দিয়েছিল, এখন তার ভিতরের কাজটি বুঝতে পারেন। এখানে সহজ lesson লেখা যায়, praise দিও না, তবেই artist বড় হবে। আমি তা বলব না। কোনও শিশুকে স্থায়ী approval থেকে বঞ্চিত করলে সে skill নয়, ভয়ও শিখতে পারে। useful inheritanceটি প্রশংসাহীনতা নয়। useful inheritance হল, ভালোবাসা এবং কাজের assessment-কে এক জিনিস না ভাবা।
শিল্পীকে দুটো আলাদা বাক্য শুনতে হয়। “তুমি আমার কাছে মূল্যবান” একটি সম্পর্কের বাক্য। “এই জায়গাটি এখনও ঠিক হয়নি” একটি craft-এর বাক্য। প্রথমটি বাদ দিয়ে দ্বিতীয়টি বললে correction আঘাত হয়ে যায়। দ্বিতীয়টি বাদ দিয়ে শুধু প্রথমটি বললে growth থেমে যায়। Haimanti Sukla-র স্মৃতিতে দুটোর টানাপোড়েন আছে। আজকের teacher, parent, editor বা director-এর কাজ কঠোরতার pose নেওয়া নয়; ব্যক্তিকে নিরাপদ রেখে কাজটির দুর্বল জায়গা নির্দিষ্ট করে দেখানো।

Classical training তাঁকে একরকম গান শেখায়নি, বদলাতে শিখিয়েছে
কথোপকথনে একটি ভুল ধারণা বারবার ভাঙে। Classical training থাকলে আধুনিক বাংলা গান নাকি নষ্ট হয়ে যাবে, এমন মত শুনে Haimanti Sukla বিস্মিত হন। তাঁর অভিজ্ঞতা উল্টো। খেয়াল, ঠুমরি, ভজন, গজল শেখা তাঁকে সব গানে একই vocal display বসাতে বলেনি। বরং কোন গানে কতখানি কাজ মানাবে, তা বুঝতে সাহায্য করেছে। “শিব ঠাকুরের গলায়” ধরনের playful গান গাইতে গেলে তিনি জানতেন, সেখানে ভারী classical ornament চাপিয়ে দিলে চরিত্রটাই হারাবে। Technique-এর পূর্ণতা তার উপস্থিতি দেখানোয় নয়, প্রয়োজন হলে নিজেকে সরিয়ে রাখতে পারায়।
এই adaptability-র সঙ্গে তাঁর বাংলা ভাষার প্রতি টানও জুড়ে আছে। তিনি নিজেই বলেন, তাঁদের পারিবারিক শিকড় উত্তরপ্রদেশে, কিন্তু বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ভালোবাসা গভীর। সেই ভালোবাসা declaration হয়ে থাকেনি। Ravi Shankar-কে বাংলায় গান করার অনুরোধ করেছেন। প্রথমে অসম্ভব শুনেও একটি পরিচিত সুরে Pulak Bandyopadhyay-কে দিয়ে বাংলা কথা লিখিয়ে দু-লাইন গেয়ে শুনিয়েছেন। সেই দরজা খুলেছে। Ali Akbar Khan এবং Naushad-এর কাছেও বাংলা গানের আবদার করেছেন। এটি শুধু সাহসের anecdote নয়। নিজের ভাষাকে ছোট market ভেবে ছেড়ে না দিয়ে, বড় শিল্পীর imagination-এর ভিতরে সেই ভাষার জন্য জায়গা চাওয়ার কাজ।
Practice এখানে scale exercise থেকে cultural agency-তে চলে যায়। একজন শিল্পী কী গাইতে পারেন, তার সঙ্গে তিনি কী গাইতে চান, কাদের ভাষায় পৌঁছতে চান এবং কোন tradition-কে কোন নতুন room-এ নিয়ে যেতে চান, সব জুড়ে যায়। “নিজেকে বদলানো” তাই market-এর কাছে আত্মসমর্পণ নয়। গানটির নিজস্ব শরীর বুঝে নিজের trained body-কে তার উপযোগী করা। এই নমনীয়তা training ছাড়া surface imitation হয়ে যেতে পারে; conviction ছাড়া আবার শুধু career strategy। Haimanti Sukla-র গল্পে দুটো একে অন্যকে পরীক্ষা করে।
একটি line নিখুঁত হলেই কি পুরো গান সত্যি হয়?
আজকের recording নিয়ে কথার সময় তিনি একটি স্পষ্ট আপত্তি করেন। আগে সম্পূর্ণ গান শিখে, তার ভিতরের যাত্রাটি বুঝে, বহু ক্ষেত্রে musicians-এর সঙ্গে একবারে record করার চাপ ছিল। এখন কোনও line কম লাগলে সেটুকু আবার গাওয়া যায়, pitch ঠিক করা যায়, patch বসানো যায়। তাঁর ভয়, পুরো কথাটি না বললে ভিতর থেকে emotion আসবে কী করে। “চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে” যদি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন line হয়, তার আগে জমে থাকা বিরহ এবং পরে থেকে যাওয়া শূন্যতা কোথায় থাকবে?
এখানে পুরোনো technology-কে পবিত্র আর নতুন technology-কে দোষী বানালে আলোচনা ফ্ল্যাট হয়ে যাবে। Live take-এও emotion নকল হতে পারে। Editing দুর্বল performance বাঁচানোর পাশাপাশি সূক্ষ্ম experiment-এর সুযোগ দেয়, খরচ কমায়, অসম্ভব collaboration সম্ভব করে। সমস্যা tool-এ নয়; tool ব্যবহারের আগে artist পুরো work-টি ধারণ করেছেন কি না। Fragment repair করার ক্ষমতা যদি complete thought শেখার প্রয়োজনটাই সরিয়ে দেয়, তখন technically correct note-গুলি মিলেও গানটির বক্তব্য তৈরি নাও করতে পারে।
এই কথা music-এর বাইরে আরও বেশি সত্যি। Social media clip, trailer, headline, short answer, presentation slide, সব জায়গায় আমরা fragment polish করি। একটি sentence ভাইরাল হয়, কিন্তু যে argument থেকে সেটি বেরিয়েছে তা কেউ পড়ে না। কাজের একটি অংশ চকচকে করা এখন সহজ; তার আগে এবং পরে কী আছে, সেই responsibility নেওয়া কঠিন। Haimanti Sukla-র আপত্তি আমাকে technology নিয়ে nostalgia নয়, wholeness নিয়ে discipline শেখায়। Patch ব্যবহার করব, কিন্তু patch যেন preparation-এর জায়গা না নেয়।
একটি মোমবাতি, একটি পূর্ণ গান এবং বদলে যাওয়া practice
এই episode-এ practice কোনও একক পদ্ধতি নয়। ছোটবেলার fixed duration আছে, গুরুদের সান্নিধ্য আছে, stage-এ improvisation আছে, নতুন composer-এর ভাষা ধরার কাজ আছে, আবার বয়স বাড়ার পরে সারাক্ষণ মনের মধ্যে সুর ঘোরার অভ্যাস আছে। শরীর, সময় এবং পরিস্থিতি বদলেছে বলে রিয়াজও একইভাবে থাকেনি। তবু একটি continuity রয়ে গেছে: গান শোনার সময় তিনি নিজের status শুনছেন না, difference শুনছেন। কোথায় নুন কম, কোথায় শব্দটি ভিতর থেকে এল না, কোথায় সুর ঠিক হলেও প্রাণ নেই।
এই inner ear-কে mystical বানানোর দরকার নেই। এর বড় অংশ শেখা যায়। Reference মন দিয়ে শোনা, নিজের take record করে কিছু সময় পরে শোনা, একই phrase কয়েকভাবে বলা, lyric-এর verb ও address বোঝা, শরীর ক্লান্ত হলে pitch ও breath কেমন বদলায় তা note করা, trusted teacher-এর correction নেওয়া, এগুলি perception-কে sharper করে। আবার সবকিছু measurable-ও নয়। Haimanti বিরহের গান গাইতে গিয়ে কোনও স্পষ্ট ব্যক্তিগত tragedy বসান না। একটি আবছা সমর্পণ, একটি অচেনা মানুষ, একটি emotional field তৈরি হয়। Technique সেই field-এ পৌঁছনোর পথ খুলতে পারে; feeling-এর formula বানাতে পারে না।
এখানেই perfectionism-এর counterargument জরুরি। “কিছুই হয়নি” কথাটি বড় শিল্পীর মুখে inspiring শোনায়, কিন্তু নতুন শিল্পীর মাথায় এটি বিষও হতে পারে। প্রতিটি কাজকে ব্যর্থ বলা, কোনও achievement গ্রহণ না করা, শরীরের সীমাকে আলস্য ভাবা, endless revision-এর জন্য কাজ release না করা, এগুলি humility নয়। এগুলি anxiety, shame বা control-এর অন্য নাম হতে পারে। Haimanti Sukla নিজেও অসন্তোষের কষ্টটি লুকোন না। সবাই ভালো বললেও ভিতরে খোঁচা লাগে। এই অনুভূতিকে শুধু মহানতার badge দিলে মানুষটির মূল্য দিতে হয়।
তাই “ধা” ঠিক লাগেনি শুনে আমার takeaway এই নয় যে কোনওদিন সন্তুষ্ট হওয়া যাবে না। বরং dissatisfaction-কে নির্দিষ্ট করতে হবে। “আমি গাইতে পারি না” কোনও কাজের তথ্য দেয় না। “আজ দ্বিতীয় অন্তরায় ওই শব্দের আগে breath ভেঙেছে” পরের rehearsal-এর কাজ দেয়। প্রথম বাক্য identity-কে আক্রমণ করে, দ্বিতীয়টি craft-কে নির্দেশ দেয়। আবার দিনের শেষে বলতে হবে, আজকের শরীর ও সময় দিয়ে যতটা পারলাম, সেটি সম্পূর্ণ। কাল অন্যভাবে শুনব। এই সীমা না থাকলে unfinished note শিল্পীকে studio-তে ফেরায় না; ঘুমের মধ্যেও বিচার করতে থাকে।
অসমাপ্ত নোটটিকে শাস্তি নয়, ঠিকানা করা
আজকের creator economy আমাদের constant output শেখায়। নতুন post, নতুন release, নতুন visibility। Practice-ও behind-the-scenes content হয়ে যায়। Camera চালু থাকলে failure আর private থাকে না; আমরা ভুলটি বোঝার আগে তাকে explain বা perform করতে শুরু করি। তাই প্রত্যেক শিল্পীর একটি unposted room দরকার। সেখানে rough take থাকবে, হাস্যকর চেষ্টা থাকবে, algorithm-এর উপযোগী নয় এমন ধীর পুনরাবৃত্তি থাকবে। এই গোপন জায়গা luxury নয়। নতুন কিছু শেখার psychological condition।
একই সঙ্গে complete work-এর অভ্যাস ফিরিয়ে আনা যায়। Singer হলে patch-এর আগে গানটি একবার শুরু থেকে শেষ গাইুন। Writer হলে paragraph polish করার আগে পুরো argument মুখে বলুন। Actor হলে close-up rehearse করার আগে scene-এর আগের এবং পরের ঘটনাটি শরীরে নিন। Editor হলে viral moment কাটার আগে conversation-এর causal line লিখুন। তারপর technology ব্যবহার করুন। Tool যত precise হবে, intention তত পরিষ্কার হওয়া দরকার। নইলে আমরা ভুলটি নিখুঁতভাবে ঠিক করি, কিন্তু ভুল প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকি।
Haimanti Sukla-র জীবনে বড় বড় নাম আছেন, কিন্তু episode শেষে আমার সঙ্গে যে imageটি থাকে, সেটি কোনও award ceremony নয়। একজন প্রবীণ শিল্পী আরেক শিল্পীর হাত চেপে বলছেন, এখনও “ধা”টা লাগেনি। কথাটিতে বেদনা আছে, হাসি আছে, অহংকে সন্দেহ করার ক্ষমতা আছে। সবচেয়ে বড় কথা, কাল আবার শোনার একটি কারণ আছে। সম্পূর্ণ হওয়া হয়তো সব সুরে পৌঁছে যাওয়া নয়। হয়তো কোন সুরটি এখনও দূরে, তা শুনেও নিজের জীবনকে অসম্পূর্ণ না বলা।
আমরা প্রশংসা গ্রহণ করতে পারি, ইতিহাসকে স্বীকার করতে পারি, করা কাজটির পাশে দাঁড়াতে পারি, তবু পরের correction-এর জন্য কান খোলা রাখতে পারি। এই চারটি একই সঙ্গে সত্যি হলে mastery certificate নয়, relationship হয়ে ওঠে। শিল্পী এবং তাঁর কাজের সম্পর্ক। সেখানে অপূর্ণ note শত্রু নয়, আবার ঈশ্বরও নয়। সে একটি ঠিকানা। পরের সকালে কোথায় ফিরতে হবে, শুধু সেটুকু বলে দেয়।
সাতটি নির্দিষ্ট takeaway
- 01
“আমি যথেষ্ট নই” বলবেন না; কোন note, breath, শব্দ, rhythm বা emotion কাজ করছে না, নির্দিষ্ট করে লিখুন।
- 02
প্রশংসা গ্রহণ এবং correction গ্রহণকে পরস্পরের বিপরীত ভাববেন না। দুটো আলাদা তথ্য।
- 03
Fragment ঠিক করার আগে অন্তত একবার complete work শুরু থেকে শেষ করুন।
- 04
প্রত্যেক practice session-এর শেষে পরের দিনের জন্য একটি ছোট, repeatable task রেখে দিন।
- 05
নিজের কাজ record করে সঙ্গে সঙ্গে নয়, কিছুটা দূরত্ব রেখে শুনুন; performance-এর স্মৃতি ও actual sound আলাদা হতে পারে।
- 06
একটি private practice room রাখুন যেখানে ভুলকে content বা public explanation বানাতে হবে না।
- 07
Teacher বা director হলে মানুষটির মর্যাদা নিশ্চিত রেখে কাজটির খুঁত নির্দিষ্ট ভাষায় বলুন।
- 08
অসন্তোষ যদি ঘুম, শরীর, release বা আনন্দ নষ্ট করে, তাকে উচ্চমান নয়, সাহায্য চাওয়ার signal হিসেবে নিন।
নিজের জীবনে ফিরে দেখার প্রশ্ন
- শেষবার নিজের কাজ খারাপ বলার সময় আপনি নির্দিষ্ট খুঁতটির নাম বলতে পেরেছিলেন কি?
- আপনার practice-এর কোন অংশটি এখন audience বা camera ছাড়াই ঘটে?
- কোথায় technology আপনাকে সাহায্য করছে, আর কোথায় complete work না বোঝার সুযোগ দিচ্ছে?
- আপনার ভিতরের critic কি পরের কাজটি দেখায়, না শুধু আপনার identity-কে আঘাত করে?
- কোন অসমাপ্ত noteটির কাছে আপনি কাল একটি ছোট কাজ নিয়ে ফিরতে পারেন?




